প্লে ও নার্সারীতে ৪/৫ বছর হতে হবে । জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী প্রথম শ্রেণীতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স ৬+ বছর হতে হবে। সে হিসেবে ২য় হতে ৯ম শ্রেণীর ভর্তির বয়স নির্ধারিত হবে। ভর্তির বয়সের উর্ধ্বসীমা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় নির্ধারণ করবে। শিক্ষার্থীর বয়স নির্ধারণের জন্য ভর্তির আবেদন ফরমের সাথে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে-প্রাইমারী স্কুলে ভর্তির নীতিমালা ২০২৫
শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকা ও অপেক্ষমান তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর/জেলা প্রশাসক / বিদ্যালয়সমূহের ওয়েবসাইটে (যদি থাকে) একই সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। উক্ত তালিকা প্রধান শিক্ষক/ শিক্ষিকাগণ বিদ্যালয়ে প্রকাশ করবেন এবং কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। ভর্তি কমিটির অনুমোদন ব্যতিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বছরের অন্য সময়েও একক সিদ্ধান্তে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবেন না। এর ব্যত্যয় দন্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে ।
একাধিক সন্তান থাকলে নিয়ম কি? শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকা/ কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে কেবল সংশ্লিষ্ট কর্মস্থলে অবস্থিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে ২% কোটা সংরক্ষিত থাকবে। তবে এক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি মাধ্যমিক অনুবিভাগের প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে। উক্ত ২% কোটায় ভর্তিপ্রার্থী না পাওয়া গেলে সাধারণ প্রার্থীদের মধ্য হতে যথানিয়মে তা পূরণ করতে হবে, কোনক্রমেই আসন শূন্য রাখা যাবে না। ১ম শ্রেণিতে আসনের তুলনায় প্রার্থীর সংখ্যা অধিক হলে লটারির মাধ্যমে চূড়ান্ত বাছাই করতে হবে । কোন প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারী শিক্ষার্থীর সহোদর/সহোদরা বা যমজ ভাই/বোন যদি পূর্ব থেকে অধ্যয়নরত থাকে তবে আসন শূন্য থাকা ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা সাপেক্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। তবে এ সুবিধা কোন দম্পত্তির সর্বোচ্চ ০২(দুই) সন্তানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। ন্যূনতম যোগ্যতা বলতে সকল ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ভর্তি পরীক্ষার পাশ নম্বর বুঝাবে ।
ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতি ২০২৫। যে পদ্ধতি ও নিয়ম মেনে ভর্তি হতে হবে